Cricketkhor

"ডাল ভাতের সাথে ক্রিকেট খাই,
টাইগারদের জন্য গলা ফাটাই"

আম্পায়ারিং নিয়ে প্রকাশ্য সমালোচনায় শাস্তি পেলেন সালাউদ্দিন

Cricketkhor

Cricketkhor

বিপিএলের আম্পায়ারিং বিতর্ক যেনো থামছেই না। আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মাঠেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রিকেটার। জরিমানা গুণতে হয়েছে সাকিব, এনামুল বিজয় ও সোহানদের মতো ক্রিকেটারদেরও। এবার সেই বিতর্কিত আম্পায়ারিংয়ের প্রকাশ্য সমালোচনা করে শাস্তি পেলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

চট্টগ্রামের জহুর আহম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শনিবারের ম্যাচ নিয়া ঘটনার শুরু। ওই ম্যাচে ফরচুন বরিশালের মুখোমুখি হয় কুমিল্লা। বরিশালের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের ১৪ তম ওভারে বরিশালের ইফতিখার আহমেদের বলে কুমিল্লার জাকেরকে এলবিডব্লিউ দেওয়া হলে রিভিউ নেন ব্যাটসম্যান। রিভিউয়ে দেখা যায়, বলের প্রায় সবটুকু অংশই পিচ করেছে স্টাম্প লাইনের বাইরে। সামান্য একটু অংশই কেবল লাইন স্পর্শ করেছে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, আউটের জন্য বলের বেশির ভাগ অংশ থাকতে হয় লাইনে। এটি তাই ‘নট আউট’ হওয়ার কথা। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফিল্ড আম্পায়ারের দেয়া আউটের সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখেন টিভি আম্পায়ার।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দিন বলেন, “এই ‍মুহূর্তে আমি আসলে কিছু বলতে পারব না। এটা নিয়ে তো বিতর্ক অনেক চলছে। আমি শুরুতেই বলেছিলাম এক-দুইটা সিদ্ধান্তে আপনি ম‌্যাচ হেরে যাবেন। সিদ্ধান্তগুলো যদি আরেকটু ভালো হয়, আরেকটু চিন্তা ভাবনা করে দেয় তাহলে ভালো। খালি চোখে যেটা আমরা দেখছি নট আউট, সেটা থার্ড আম্পায়ার আউট দিয়ে দিচ্ছে। কী করতে পারি? আমাদের তো কিছু করার নেই। আমরা মাঠে চিল্লাচিল্লি করি, এটা কি চান?”

“এমনিই সাসপেন্ড করে দেবে। ঠিক আছে! যেহেতু খেলা চলছে। প্রতিবাদ করেও তো লাভ নেই। আমরা লিখিত দেব বা প্রতিবাদ করব যে, সেটা করেও লাভ নেই। কোনো লাভ হবে না। আসলে কিছু করার নেই। হাত-পা বাঁধা আছে। যা হবার তাই হবে আর কী!”

এছাড়াও এডিআরএস সম্পর্কে সালাউদ্দিন বলেন, “এডিআরএস থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো আমার মনে হয়। আম্পায়ার যেটা দিয়ে দেবে, সেটা (রেখে) দেওয়াই ভালো।”

উক্ত মন্তব্যের ফলে আচরণবিধির ২.৭ ধারা অনুযায়ী লেভেল ২ ভাঙার অভিযোগ আনা হয় সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে। ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের জন্য এই ধারায় আছে, ‘ম্যাচের কোনো ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্য সমালোচনা ও অনুপযুক্ত মন্তব্য করা।’

ফলে কুমিল্লার কোচকে ম্যাচ ফির ৫০% জরিমানা ও ৩ টি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়।