Cricketkhor

"ডাল ভাতের সাথে ক্রিকেট খাই,
টাইগারদের জন্য গলা ফাটাই"

লিটন-সাকিব নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়েকে বিশাল ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ

Musaddik Mitu

Musaddik Mitu

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর।

প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে বাংলাদেশের পক্ষে ব্যাট হাতে ইনিংসের সূচনা করতে ক্রিজে আসেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ওপেনিং জুটিতে তামিম-লিটন যোগ করতে পারেননি কোনো রান। ব্যাক্তিগত শূন্য রানে ব্লেসিং মুজারাবানির প্রথম শিকার হয়ে  তামিম ইকবাল সাজঘরে ফিরলে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে।

তামিমের পর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান।  দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাকিব-লিটন যোগ করেন ৩২ রান। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ব্যক্তিগত ১৯ রানে ব্লেজিং মুজারাবানির দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাকিব আল হাসান সাজঘরে ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের ইতি ঘটে।  সাকিবের পর ক্রিজে আসেন মোহাম্মদ মিথুন। ক্রিজে এসে নামের পাশে দ্রুত ১৯ রান যোগ করেই টেন্ডাই চাথারার বলে সাজঘরে ফিরেন মোহাম্মদ মিথুন।

মিথুনের পর ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।  ক্রিজে এসে নামের পাশে ৫ রান যোগ করেই রিচার্ড এনগারাভার প্রথম শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মোসাদ্দেকের পর ক্রিজে আসেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ৫ম উইকেট জুটিতে লিটন-রিয়াদ গড়েব ৯৩ রানের বিশাল পার্টনারশিপ।  ব্যক্তিগত ৩৩ রানে লুক জংয়ের প্রথম শিকার হয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ প্যাভিলিয়ন ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের ইতি ঘটে।

রিয়াদের পরে ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব! ৬ষ্ট উইকেট জুটিতে লিটন-আফিফ গড়েন ৪০ রানের পার্টনারশিপ।  ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি হাকিয়ে ব্যাক্তিগত ১০২ রানে রিচার্ড এনগারাবার দ্বিতীয় শিকার হয়ে লিটন দাস প্যাভিলিয়নে ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের সমাপ্তি ঘটে। লিটনের পর ক্রিজে আসেন মেহেদি হাসান মিরাজ।  ৭ম উইকেট জুটিতে আফিফ-মিরাজ গড়েন ৫৮ রানের পার্টনারশিপ। ব্যাক্তিগত ২৬ রানে লুক জংয়ের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মেহেদি হাসান মিরাজ সাজঘরে ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের ইতি ঘটে। 

মিরাজের পর ক্রিজে আসেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।  সাইফউদ্দিন ক্রিজে আসার পরপরই ব্যক্তিগত ৪৫ রানে লুক জংয়ের তৃতীয় শিকার হয়ে আফিফ হোসেন প্যাভিলিয়নে ফিরলে বাংলাদেশ তাদের ৮ম উইকেটটি হারায়। আফিফের পরে ক্রিজে আসেন তাসকিন আহমেদ। ক্রিজে এসেই রান আউটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেন তাসকিন আহমেদ।  তাসকিনের পর ক্রিজে আসেন শরিফুল ইসলাম।  ইনিংসের বাকিবল গুলো খেলে আসেন সাইফ-শরিফুল।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।  বাংলাদেশের পক্ষে ব্যাট হাতে লিটন দাস ১০২(১১৪) রান, আফিফ হোসেন ৪৫(৩৫) রান ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৩৩(৫২) রান করেন।  জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে লুক জংয়ে ৩ উইকেট,  ব্লেসিং মুজারাবানি ও রিচার্ড এনগাভারা ২টি করে উইকেট ও টেন্ডাই চাথারা ১টি উইকেট নেন।

২৭৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্যাট হাতে ইনিংসের উদ্ভোদন করতে ক্রিজে আসেন মাদভিরে ও মারুমানি। ওপেনিং জুটিতে তারা দুইজন যোগ করেন ৪ রান। ব্যক্তিগত শূন্য রানে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে মারুমানি সাজঘরে ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের ইতি ঘটে।

মারুমানির পর ক্রিজে আসেন ব্রেন্ডন টেইলর। টেইলর ক্রিজে আসার পর ব্যক্তিগত ৯ রানে তাসকিন আহমেদের বলে সাজঘরে ফিরেন উইসলে মাদভিরে।  মাদভিরের পর ক্রিজে আসেন ডিওন মায়ারস। তৃতীয় উইকেট জুটিতে টেইলর-মায়ারস যোগ করেন ৩৬ রান।  ব্যক্তিগত ১৮ রানে  শরিফুল ইসলামের বলে মায়ারস সাজঘরে ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের ইতি ঘটে। মায়ারসের পর ক্রিজে আসেন রাগিস চাকাভা। চতুর্থ উইকেট জুটিতে চাকাভা-টেইলর যোগ করেন ২৯ রান। ব্যক্তিগত ২৪ রানে সাকিব আল হাসানের বলে ব্রেন্ডন টেইলর প্যাভিলিয়ন ফিরলে তাদের পার্টনারশিপের সমাপ্তি ঘটে।

টেইলরের পর ক্রিজে আসেন রায়ান বার্ল।  ক্রিজে এসে নামের পাশে ৬ রান যোগ করেই সাকিব আল হাসানের দ্বিতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন রায়ান বার্ল। বার্লের পর ক্রিজে আসেন লুক জংয়ে। ক্রিজে এসে ব্যক্তিগত শূন্য রানে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান লুক জংয়ে। জংয়ের পর ক্রিজে আসেন মুজারাবানি। ক্রিজে এসে নামের পাশে ২ রান যোগ করেই সাকিব আল হাসানের তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ব্লেসিং মুজারাবানি।

মুজারাবানির পর ক্রিজে আসেন চাতারা। চাথারা ক্রিজে আসার পরপরই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি হাকিয়ে ব্যক্তিগত ৫৪ রানে সাকিব আল হাসানের চতুর্থ শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন রাগিস চাকাভা। চাকাভার পর ক্রিজে আসেন রিচার্ড এনগারাভা। ক্রিজে এসে নামের পাশে কোনো রান না যোগ করেই সাকিব আল হাসানের পঞ্চম শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন রিচার্ড এনগাভারা।

শেষ পর্যন্ত ২৮.৫ ওভারে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১২১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্যাট হাতে রাগিস চাকাভা ৫৪(৫১) রান, ব্রেন্ডন টেইলর ২৪(৩১) রান ও ডিওন মায়ারস ১৮(২৪) রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সাকিব আল হাসান ৫ উইকেট,  তাসকিন আহমেদ,  মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম ১টি করে উইকেট নেন।

ফলাফলঃ- বাংলাদেশ ১৫৫ রানে বিজয়ী।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচঃ- লিটন দাস।

বাংলাদেশ🇧🇩 একাদশঃ- তামিম(ক্যাপ্টেন), লিটন, সাকিব, মিথুন, মোসাদ্দেক, মাহমুদুল্লাহ,  আফিফ, সাইফউদ্দিন,  মিরাজ,  তাসকিন ও শরিফুল।

জিম্বাবুয়ে🇿🇼 একাদশঃ- মাদভিরে,  মারুমানি, টেইলর (ক্যাপ্টেন),  মায়ারস,  চাকাভা,  বার্ল, জংয়ে, মুজারাবানি,  চাতারা,  এনগাভারা ও মারুমা।

"Born To Support Tigers,
Born To Roar"

যোগাযোগ

ফোন +8801719952348
ইমেইল support@cricketkhorbd.com
ঠিকানাঃ সেক্টর -১০, উত্তরা, ঢাকা- ১২৩০

আমাদের ম্যাসেজ করুন

Copyright 2020 - Cricketkhor | Designed By Hussain Rifat