চাপের মুখে দারুণ ব্যাটিংয়ে প্রশংসায় ভাসছিলেন ভারতীয় দলপতি ভিরাট কোহলি। মাত্র ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানো ভারতকে ১৫৬ রানের লড়াকু পুঁজি এনে দেওয়া কোহলির দল বিধ্বস্ত হয়েছে ইংলিশ ওপেনার জস বাটলারের ব্যাটে।
এরআগে ১-১ সমতায় থেকে টস নামক ভাগ্য পরীক্ষায় জয় পায় নিজের শততম টি-২০ ম্যাচ খেলতে নামা মরগান। স্বাগতিক দলকে জানান ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ। সফরকারীদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত দলীয় সাত রানের মাথায় হারায় নিজেদের প্রথম উইকেট। এরপর মার্ক উড এবং জর্ডান ফিরিয়ে দেন রোহিত এবং কৃষাণকে! যারফলে মাত্র ২৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত।
চাপের মুখে দারুণভাবে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন কোহলি। প্যান্থের সাথে চতুর্থ উইকেটে ৪০ রানের জুটি যখন ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছিলো তখনি রান আউট হয়ে ফিরে যান প্যান্থ! প্যান্থ ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে টানা দুই ম্যাচে ফিফটি তুলে নেন কোহলি। শেষদিকে পান্ডিয়ার ১৭ রানের উপর ভর করে ২০ ওভারে ১৫৬ রানের পুঁজি পায় ভারত। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন অধিনায়ক কোহলি। ইংল্যান্ডের বোলারদের পক্ষে উড ৩ এবং জর্ডান ২ উইকেট শিকার করেন।
১৫৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা ইংল্যান্ডের শুরুটা হয়নি ভালো। ২৩ রানের মাথায় রয় ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন বাটলার। বাটলারের সাথে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৮ রানের জুটি গড়া মালান ফিরেন ব্যক্তিগত ১৮ রানে। এরপরের গল্পটা বাটলার ও ব্যারিয়েস্টোকে নিয়েই। ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে সাবলীল খেলে দলকে জয় এনে দেন ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। সেই সাথে ইংল্যান্ড ৫ ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেলো ২-১ ব্যবধানে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ রান আসে ব্যাটলারের ব্যাটে। ভারতীয় বোলারদের পক্ষে চাহাল এবং সুন্দর একটি করে উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:
ভারত ১৫৬/৬(২০)
কোহলি ৭৭*, রিষাভ ২৬
উড ৩১/৩, ক্রিস জর্ডান ৩৫/২
ইংল্যান্ড ১৫৭/২(১৮.২)
বাটলার ৮৩*, ব্যারিয়েস্টো ৪০*
সুন্দর ২৬/১, চাহাল ৪১/১
ফলাফল: ইংল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা: জস বাটলার।

